আইনশৃঙ্খলা

মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের মামলায় সব সম্পদের বিনিময়ে অব্যাহতি চাইলেন অভিযুক্ত মাদ্রাসা শিক্ষক

Desk Reportকন্ট্রিবিউটর২৮ অক্টোবর ২০২৬ · ১ মিনিটের পড়াRead in English

নেত্রকোণার মদনে ১২ বছরের এক মাদ্রাসাছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভবতী করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার যুক্তিতর্ক শেষ হয়েছে। আগামী ১১ নভেম্বর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) নেত্রকোণার জেলা ও দায়রা জজ এবং শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. আব্দুছ সালামের আদালতে যুক্তিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। মামলার প্রধান আসামি শিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী ওরফে সাগর।

শুনানিতে বিচারকের প্রশ্নের জবাবে আসামি জানান, তাঁর ১২ শতাংশ জমি রয়েছে। নিজের সব সম্পদের বিনিময়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চান তিনি। এ সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী আনিসুর রহমান আপসের প্রসঙ্গ তুললে বিচারক তা নাকচ করে দেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, সিআইডির ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদনে শিশুটির জন্ম দেওয়া নবজাতকের পিতা হিসেবে অভিযুক্ত শিক্ষকের সম্পৃক্ততার পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেছে। ডিএনএ প্রতিবেদন, পুলিশের অভিযোগপত্র ও আদালতে উপস্থাপিত অন্যান্য সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর মো. নূরুল কবীর রুবেল জানান, রায়ের আগে যুক্তিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি সম্পন্ন হয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তাঁর দাবি, রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আদালতের রায়ে আসামির সর্বোচ্চ সাজা হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

এ বিষয়ে আরও খবর