বিশ্ব

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী ভারত

Desk Reportকন্ট্রিবিউটর৮ অক্টোবর ২০২৬ · ১ মিনিটের পড়াRead in English

বাংলাদেশের সঙ্গে স্থিতিশীল, ইতিবাচক ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেছে ভারত। দুই দেশের জনগণের কল্যাণ, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্বকে সম্পর্কের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করছে নয়াদিল্লি।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এসব কথা জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগ ও আলোচনার মূল উদ্দেশ্য দুই দেশের জনগণের জন্য বাস্তব সুফল নিশ্চিত করা। পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত।

রণধীর জয়সওয়াল আরও জানান, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চলমান আলোচনায় যৌথ অর্থনৈতিক অগ্রগতি, বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা এবং উভয় দেশের জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ককে ইতিবাচক ও ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গিতে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার মাধ্যমে উভয় দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি সুফল অর্জনই নয়াদিল্লির লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, সম্প্রতি ঢাকায় সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এ বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে যাওয়ার পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক এক হাইকমিশনার।

সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, শেখ হাসিনার ভারতে পৌঁছানোর প্রক্রিয়ায় ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর কোনো প্রত্যক্ষ ভূমিকা ছিল না। এমনকি তাঁকে বহনকারী সামরিক বিমানটি ভারতে পৌঁছানোর সময় ভারতীয় কর্তৃপক্ষও পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিল না বলে জানান তিনি।

সাবেক ওই কূটনীতিকের ভাষ্য অনুযায়ী, ভারতীয় বিমানবাহিনী কিংবা সেনাবাহিনী শেখ হাসিনাকে ভারতে নিয়ে যায়নি। ঘটনাটি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের জন্য অপ্রত্যাশিত ছিল।

তিনি আরও মন্তব্য করেন, শেখ হাসিনা যখন ভারতে পৌঁছান, তখনো তিনি বাংলাদেশের বৈধ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া ছাড়া ভারতের সামনে সীমিত বিকল্প ছিল বলে দাবি করেন সাবেক এই হাইকমিশনার।

বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক বক্তব্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব এবং জনগণের কল্যাণকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

এ বিষয়ে আরও খবর