সাধারণ

বেড়ায় ফুটবল ম্যাচের বিরোধে দুই মহল্লার সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

Sheik Muhammad Parvezকন্ট্রিবিউটর১৫ অক্টোবর ২০২৬ · ১ মিনিটের পড়াRead in English

পাবনার বেড়ায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুই মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি দোকান ও অন্তত ১৫টি বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত বেড়া পৌরসভার নাজিম বাজার এলাকায় এ সংঘর্ষ চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেড়া পৌর এলাকার বেড়া বিবি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয় মাঠে বেশ কিছুদিন ধরে ওয়ার্ডভিত্তিক ফুটবল প্রতিযোগিতা চলছিল। রোববার প্রতিযোগিতায় পৌরসভার ২ নম্বর ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে খেলা অনুষ্ঠিত হয়। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়। পরে পেনাল্টি শুটআউটের মাধ্যমে খেলার ফল নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে ২ নম্বর ওয়ার্ডের সরদারপাড়া ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বনগ্রাম মহল্লার বাসিন্দারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় কয়েকটি দোকানে অগ্নিসংযোগ করা হয়। পাশাপাশি অন্তত ১৫টি বাড়িঘরে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

খবর পেয়ে বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুলান্ট চাকমা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বেড়া মডেল থানার পুলিশের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী সাঁথিয়া ও সুজানগর থানা থেকেও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা প্রায় দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে ফাঁকা গুলি ছুড়তে ও গ্যাস নিক্ষেপ করতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্বীকার করা হয়নি।

বেড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন কুমার সরকার সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আরও খবর