সাধারণ

সার মজুদের অভিযোগে গোডাউনের সামনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ, তদন্তের দাবি

Sheik Muhammad Parvezকন্ট্রিবিউটর২২ অক্টোবর ২০২৬ · ১ মিনিটের পড়াRead in English

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরকারি ভর্তুকির সার অবৈধভাবে মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে কয়েকটি সার গোডাউনের সামনে বিক্ষোভ ও অনশন কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলা ও পৌর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কয়েকটি সার গোডাউনে অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগ পেয়ে সেখানে উপস্থিত হন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাঁরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হুমায়ূন আহমেদ, সদস্যসচিব লিখন সরকার ও পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাসেল রানা পিন্টু। তাঁরা সার মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নির্ধারিত দামে প্রতি বস্তা সার ১ হাজার ৫০ টাকার পরিবর্তে ১ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। এতে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন কৃষকেরা। এ বিষয়ে তাঁরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) ফোন করে অবহিত করেন এবং সরেজমিনে তদন্তের আহ্বান জানান।

স্থানীয়ভাবে ‘ইমরুল ট্রেডার্স’ নামের একটি সার ডিলারের গোডাউনে অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগ ওঠে। পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কয়েকটি গোডাউন খুলে পরিদর্শন করেন। এ সময় গোডাউনগুলোতে বিপুল পরিমাণ সার মজুদ পাওয়া গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়।

কৃষি কর্মকর্তা জানান, রিপন নামের এক ডিলারের কাছে প্রায় ৯০০ বস্তা সার মজুদ রয়েছে। এসব সার বেতুয়ান, খানমরিচ ও দিলপাশার ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হবে।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব লিখন সরকার বলেন, উপজেলায় সারের কোনো ঘাটতি নেই। কৃষকেরা নিশ্চিন্তে সার পাবেন। তবে সার নিয়ে অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিক্ষোভকারীরা কৃষকদের স্বার্থ রক্ষা, নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি এবং সার বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্তের দাবি জানান। এ সময় তাঁরা স্লোগান দেন, “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ—কৃষকের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।”

তবে সার অবৈধভাবে মজুদ ও অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের ফলাফল জানা যায়নি।

এ বিষয়ে আরও খবর